sixs ক্রিকেট মাঠে বেটিং অ্যাকশন
⚡ লাইভ বেটিং সহ সম্পূর্ণ ক্রিকেট বাজার

sixs ক্রিকেট বেটিং — T20 থেকে Test পর্যন্ত সব ফরম্যাটে বাজি ধরুন

BPL, IPL ও আন্তর্জাতিক ম্যাচে ম্যাচ উইনার, টপ ব্যাটসম্যান, ওভার/আন্ডার এবং আরও বহু মার্কেটে বাজি রাখুন — sixs-এ ক্রিকেট বেটিং সহজ, সরাসরি এবং বাংলাদেশি খেলোয়াড়দের জন্য তৈরি।

T20 বিপিএল ও আইপিএল
ODI একদিনের ম্যাচ
Test পাঁচ দিনের ক্রিকেট
লাইভ ইন-প্লে বেটিং
২১+ এই সাইটের সব কার্যক্রম কেবল ২১ বছর বা তার বেশি বয়সের জন্য।

ক্রিকেটের তিন ফরম্যাট ও বাংলাদেশি দর্শকদের পছন্দের টুর্নামেন্ট

ক্রিকেট তিনটি মূল ফরম্যাটে খেলা হয় — T20, ODI এবং Test। প্রতিটি ফরম্যাটের নিজস্ব গতি, কৌশল এবং বেটিং বৈশিষ্ট্য রয়েছে।

ফরম্যাট সময়কাল বেটিং বৈশিষ্ট্য
T20 প্রতি দলে ২০ ওভার দ্রুত ফলাফল, অনেক বেশি মার্কেট পরিবর্তন হয় লাইভে
ODI প্রতি দলে ৫০ ওভার মাঝারি গতির খেলা, অ্যাকুমুলেটর ও টপ ব্যাটসম্যান বাজার জনপ্রিয়
Test সর্বোচ্চ পাঁচ দিন দীর্ঘমেয়াদি ফলাফল, ইনিংস বেটিং ও ড্র মার্কেট পাওয়া যায়

বাংলাদেশি দর্শকদের কাছে সবচেয়ে জনপ্রিয় টুর্নামেন্ট হলো বিপিএল (BPL) — দেশীয় ফ্র্যাঞ্চাইজি T20 লিগ — এবং ভারতের IPL। T20 বিশ্বকাপ ও ICC চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতেও বেটিং আগ্রহ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ে। টাইগার্সের আন্তর্জাতিক ম্যাচগুলোতে বাজার সবচেয়ে সক্রিয় থাকে।

ক্রিকেট ছাড়াও sixs-এ ফুটবলে বাজি রাখার সুযোগ রয়েছে। ফুটবলে তিনটি সম্ভাব্য ফলাফল (জয়, পরাজয়, ড্র) থাকে — ক্রিকেটের সীমিত ওভার ফরম্যাটে কেবল দুটি। ফুটবলে হ্যান্ডিক্যাপ ও কর্নার মার্কেটও বেশি দেখা যায়, যেখানে ক্রিকেটে উইকেট, রান ও পার্টনারশিপ-ভিত্তিক মার্কেট প্রাধান্য পায়।

sixs ক্রিকেট ফরম্যাট ও টুর্নামেন্ট তথ্য

ক্রিকেট বেটিংয়ের জনপ্রিয় মার্কেটগুলো

প্রতিটি মার্কেট আলাদাভাবে বোঝা থাকলে বাজি রাখার আগে সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ হয়। নিচে সাতটি প্রচলিত মার্কেটের সংক্ষিপ্ত পরিচয় দেওয়া হলো।

ম্যাচ উইনার

কোন দল ম্যাচটি জিতবে তার উপর বাজি। T20 ও ODI-তে ড্র সম্ভব নয়, তাই মাত্র দুটি বিকল্প থাকে। উদাহরণ: দল A বা দল B-র যেকোনো একটিকে বেছে নিন।

সবচেয়ে সহজ

টস উইনার

ম্যাচ শুরুর আগে কোন দল টস জিতবে তার উপর বাজি। ফলাফল ম্যাচ পারফরম্যান্সের উপর নির্ভর করে না — বিশুদ্ধ সম্ভাবনার একটি মার্কেট।

প্রি-ম্যাচ

টপ ব্যাটসম্যান

নির্দিষ্ট ইনিংসে বা পুরো ম্যাচে কোন খেলোয়াড় সবচেয়ে বেশি রান করবেন তার উপর বাজি। দলের মধ্য থেকে একজনকে বেছে নিতে হয়।

খেলোয়াড় বাজার

টোটাল রান ওভার / আন্ডার

বুকমেকার একটি নির্ধারিত রানের লক্ষ্যমাত্রা দেয়। আপনি বলেন ম্যাচের মোট রান সেই সংখ্যার বেশি (ওভার) হবে নাকি কম (আন্ডার) হবে। উদাহরণ: লক্ষ্যমাত্রা ১৬৫.৫ রান।

রান বাজার

টপ বোলার

ম্যাচে সবচেয়ে বেশি উইকেট কে নেবেন তার উপর বাজি। একটি ইনিংসে বা পুরো ম্যাচভিত্তিক — দুই ধরনের মার্কেটই পাওয়া যায়।

খেলোয়াড় বাজার

মাল্টি বেট

একাধিক ম্যাচের নির্বাচন একসাথে একটি বাজিতে যোগ করা হয়। সব নির্বাচন সঠিক হলে মোট রিটার্ন বহুগুণ বাড়ে। উদাহরণ: তিনটি নির্বাচন একত্রে জিততে হবে।

উচ্চ রিটার্ন

প্রথম ওভারে রান

পাওয়ারপ্লের প্রথম ওভারে কত রান হবে — একটি নির্দিষ্ট সীমার উপরে বা নিচে বাজি রাখার সুযোগ। T20-তে এই মার্কেটটি বিশেষ জনপ্রিয়।

পাওয়ারপ্লে
  বিস্তারিত কৌশল ও মার্কেট ব্যাখ্যার জন্য বেটিং টিপস গাইড পড়ুন — সেখানে প্রতিটি মার্কেটের গভীর বিশ্লেষণ রয়েছে।

ডেসিমাল, ফ্র্যাকশনাল ও আমেরিকান — তিন ধরনের অডস কীভাবে পড়বেন

বেটিং প্ল্যাটফর্মে অডস সাধারণত তিনটি পদ্ধতিতে দেখানো হয়। প্রতিটি পদ্ধতি একই সম্ভাবনাকে আলাদাভাবে প্রকাশ করে — শেষ পর্যন্ত রিটার্ন একই।

উদাহরণ ১ — দল A-এর জয়, বাজি ৳২০০:

ডেসিমাল: 2.25 ফ্র্যাকশনাল: 5/4 আমেরিকান: +125

জয়ী হলে মোট রিটার্ন ৳৪৫০ — লাভ ৳২৫০ এবং মূল বাজি ৳২০০ ফেরত। হারলে পুরো ৳২০০ হারাবেন।

উদাহরণ ২ — দল B ফেভারিট, বাজি ৳২০০:

ডেসিমাল: 1.50 ফ্র্যাকশনাল: 1/2 আমেরিকান: -200

আমেরিকান "-২০০" মানে ৳১০০ লাভ করতে ৳২০০ বাজি রাখতে হবে। ৳২০০ বাজিতে মোট রিটার্ন ৳৩০০ — লাভ ৳১০০।

মনে রাখুন: অডস সংখ্যা যত কম হয়, সেই দলকে জয়ের ক্ষেত্রে ফেভারিট বলে ধরা হয়। তবে ফেভারিট হলে রিটার্নও কম পাওয়া যায়।

sixs অডস ফরম্যাট ব্যাখ্যার চার্ট

মাল্টি বেটের উদাহরণ — তিনটি নির্বাচন:

ডেসিমাল অডস ১.৭০, ১.৮০ এবং ১.৯০ — মোট মিলিত অডস = ১.৭০ × ১.৮০ × ১.৯০ ≈ ৫.৮১। ৳১০০ বাজিতে রিটার্ন ৳৫৮১, কিন্তু শুধুমাত্র তখনই যদি তিনটি নির্বাচনই সঠিক হয়। একটিও ভুল হলে পুরো ৳১০০ হারিয়ে যায়।

মাল্টি বেটে রিটার্ন বেশি, কিন্তু সব নির্বাচন একসাথে সঠিক হওয়ার সম্ভাবনা কম।

sixs লাইভ বেটিং ইন-প্লে স্কোরকার্ড

লাইভ ইন-প্লে বেটিং — উইকেট পড়লে অডস বদলায়

ক্রিকেটের সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক হলো লাইভ বেটিং — ম্যাচ চলার সময় বাজি রাখার সুযোগ। প্রতিটি বলের পর পরিস্থিতি বদলায়, এবং সেই অনুযায়ী অডসও আপডেট হয়।

উইকেট পড়লে অডস পরিবর্তন

ব্যাটিং দলের উইকেট পড়লে বোলিং দলের জয়ের সম্ভাবনা বাড়ে এবং সেই অনুযায়ী অডস সংখ্যা কমে আসে। ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ৮০ রানের পর পরিস্থিতি ৫ ওভারে শূন্য উইকেটে ৪০ রানের চেয়ে অনেক আলাদা।

পাওয়ারপ্লে ও ডেথ ওভার

T20-তে পাওয়ারপ্লে (প্রথম ৬ ওভার) এবং শেষ ৪ ওভারে অডস সবচেয়ে দ্রুত বদলায়। বড় ছক্কা বা রান-আউটের পর মার্কেট মুহূর্তেই সাড়া দেয়।

রান রেট ও প্রয়োজনীয় রান

দ্বিতীয় ইনিংসে প্রয়োজনীয় রান রেট বাড়লে সেই দলের অডস দ্রুত পরিবর্তিত হতে থাকে। রান-বল সমীকরণ যত কঠিন হয়, লাইভ অডস তত বেশি ওঠানামা করে।

Test ম্যাচে দিনভিত্তিক পরিবর্তন

Test ক্রিকেটে প্রতিদিনের শেষে আবহাওয়া, পিচের অবস্থা ও ব্যাটিং-বোলিং পারফরম্যান্স বিবেচনায় পরের দিনের অডস নির্ধারিত হয়।

বেটিংয়ে বাস্তব টিপস — এন্টারটেইনমেন্ট হিসেবে উপভোগ করুন

ক্রিকেট বেটিং বিনোদনের একটি মাধ্যম। সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা থাকলে অভিজ্ঞতা আরও ভালো হয়।

০১

বাজেট ঠিক করুন

প্রতিটি ম্যাচের আগে নির্দিষ্ট পরিমাণ আলাদা রাখুন। সেই সীমার বাইরে না যাওয়াটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অভ্যাস।

০২

একটি মার্কেট ভালো করে বুঝুন

একসাথে অনেক মার্কেটে বাজি না রেখে শুরুতে ম্যাচ উইনার বা ওভার/আন্ডারে মনোযোগ দিন।

০৩

লাইভ অডস দ্রুত বদলায়

ইন-প্লেতে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে স্কোরকার্ড ভালোভাবে দেখুন। তাড়াহুড়োয় সিদ্ধান্ত না নেওয়াই ভালো।

০৪

হারের পর বিরতি নিন

পরপর কয়েকটি বাজি হারলে সঙ্গে সঙ্গে পুষিয়ে নেওয়ার চেষ্টা না করে কিছুক্ষণ বিরতি নিন।

  দায়িত্বশীল বেটিং সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে দায়িত্বশীল খেলার গাইডলাইন দেখুন — নিজের সীমা নির্ধারণ করার পরামর্শ সেখানে দেওয়া আছে।

ফুটবল ও অন্যান্য খেলায় বেটিং কীভাবে আলাদা

ফুটবলে ক্রিকেটের তুলনায় একটি বড় পার্থক্য হলো ড্র ফলাফলের উপস্থিতি। তাই ফুটবলে "১X২" মার্কেট (দল A জয়, ড্র, দল B জয়) থেকে সঠিক ফলাফল বেছে নেওয়াটা সামান্য জটিল। ক্রিকেটের সীমিত ওভার ফরম্যাটে সাধারণত কেবল দুটি বিকল্প থাকে।

ফুটবলে গোলসংখ্যা, কর্নার, কার্ড এবং হ্যান্ডিক্যাপ মার্কেট জনপ্রিয়। ক্রিকেটে সেগুলোর পরিবর্তে উইকেট সংখ্যা, পার্টনারশিপ রান এবং নির্দিষ্ট ওভারভিত্তিক মার্কেট থাকে। দুটি খেলায় বাজি ধরার ধরন আলাদা হলেও মূলনীতি একই — আপনার পরিচিত খেলায় বাজি রাখলে সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ হয়।

ক্যাবাডি, হকি বা টেনিসের মতো খেলায়ও বেটিং পাওয়া যায়, তবে ক্রিকেটের তুলনায় মার্কেটের বৈচিত্র্য কম। বাংলাদেশি খেলোয়াড়দের কাছে ক্রিকেট এবং ফুটবলই সবচেয়ে পরিচিত, তাই এই দুটিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া তুলনামূলকভাবে সহজ।

sixs-এ স্লট ও লাইভ ক্যাসিনো গেমেও অংশ নেওয়া যায়। বিভিন্ন ধরনের গেম পরিচিত হতে sixs ক্যাসিনো বিভাগ দেখুন — সেখানে পাওয়া যাওয়া গেমগুলোর বিস্তারিত তথ্য রয়েছে।

ক্রিকেটের পাশাপাশি জুমা ড্রাগন

sixs-এ ক্রিকেট বেটিংয়ের পাশাপাশি জুমা ড্রাগন একটি আলোচিত বিভাগ। এটি একটি ভিন্নধর্মী গেমিং অভিজ্ঞতা যেখানে ক্রিকেটের বাইরে গিয়ে ভিন্ন ধরনের মনোযোগ দেওয়া যায়। বিস্তারিত জানতে sixs জুমা ড্রাগন বিভাগ দেখুন — সেখানে গেমটির নিয়ম ও কৌশল নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

🎁 নতুন সদস্যদের জন্য

sixs-এ ক্রিকেট বেটিং শুরু করুন

নিবন্ধন করে প্রথমবার ডিপোজিট করলে ১৫০% বোনাস পাবেন — সর্বোচ্চ ৳২০,০০০ পর্যন্ত। ওয়েজারিং শর্ত বোনাসের ১০ গুণ। উদাহরণ: ৳১,০০০ ডিপোজিট করলে ৳১,৫০০ বোনাস পাবেন, মোট ব্যালেন্স ৳২,৫০০ এবং ওয়েজারিং ৳১৫,০০০।

ডিপোজিট করুন bKash, Nagad, Rocket বা Upay-তে — সর্বনিম্ন ৳২০০। উইথড্র করতে সাধারণত ৩০ মিনিট থেকে ৩ ঘণ্টা সময় লাগে।

ক্রিকেট বেটিং নিয়ে সাধারণ প্রশ্ন

T20-তে সাধারণত সবচেয়ে বেশি মার্কেট থাকে কারণ দ্রুত ফলাফল এবং বেশি ঘন ঘন ম্যাচের কারণে বাজার সক্রিয় থাকে। ODI-তেও ভালো সংখ্যক মার্কেট পাওয়া যায়। Test ম্যাচে মার্কেট তুলনামূলক কম, তবে ইনিংস ও দিনভিত্তিক বিশেষ বাজার থাকে যেগুলো T20 বা ODI-তে নেই।

হ্যাঁ, ইন-প্লে মার্কেটে উইকেট পড়া, বাউন্ডারি বা ছক্কার পরে অডস কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে পরিবর্তিত হয়। অনেক সময় বড় মুহূর্তের (যেমন শেষ ওভারে ৩ উইকেট পড়া) ঠিক পরেই মার্কেট কিছুক্ষণের জন্য স্থগিত থাকে, এবং নতুন অডস দিয়ে আবার চালু হয়।

বিপিএল ও আইপিএল দুটোই T20 ফরম্যাটের লিগ হওয়ায় মূল মার্কেটগুলো প্রায় একই — ম্যাচ উইনার, টপ ব্যাটসম্যান, টোটাল রান ওভার/আন্ডার, টস ইত্যাদি। তবে আইপিএলে ম্যাচ সংখ্যা বেশি এবং বৈশ্বিক আগ্রহ বেশি হওয়ায় কিছু সময় আরও বেশি মার্কেট অফার করা হয়।

সাধারণত মাল্টি বেটে ক্রিকেট ও ফুটবলসহ বিভিন্ন খেলার নির্বাচন একসাথে যোগ করা যায়। তবে একই ম্যাচের দুটি নির্বাচন একসাথে মাল্টি বেটে রাখা যায় না — সেটি নিয়ম অনুযায়ী অনুমোদিত নয়।

বৃষ্টিতে বাধাপ্রাপ্ত ম্যাচে ডাকওয়ার্থ-লুইস-স্টার্ন (DLS) পদ্ধতিতে যদি অফিশিয়াল ফলাফল ঘোষণা হয়, তাহলে সেটিকে বৈধ ফলাফল হিসেবে গণ্য করা হয়। ম্যাচ পুরোপুরি বাতিল হলে বা নির্দিষ্ট ওভার সম্পন্ন না হলে সংশ্লিষ্ট বাজি বাতিল হয়ে বাজির টাকা ফেরত দেওয়া হয়। বিস্তারিত নিয়ম জানতে নিয়ম ও শর্তাবলী দেখুন।

আরও যা দেখতে পারেন